১৬ অক্টোবার ২০১১
১৮) সূক্ষ্ম
তুমি সূক্ষ্ম সূচের তীক্ষ্ণ আমার কুচিকুচি ভাবনা সেলাই। সেই কাঁথা তুমি গায়ে দিলে আমি তোমার চোখে নামি। আমার প্রেমের দাগ তোমার সূর্য আঁকে প্রতি সংবাদপত্রে। পরের পাতায়। এক ফালি ঘর আমার তুমি চিনে ফেল। তুমি সূক্ষ্ম সুতো আমায় গেঁথে নিলে তোমার পচ্ছন্দের আঙুলে।
১৯) অসহ্য
বোকা হ্যাঙলা নির্লজ্জ সহবাসে বিশেষ্য। অপদার্থ মস্তিষ্ক বিচ্ছেদে সন্ধি। শুধু বিষে বিষে জমতে থাকে ইডিওসি। মানুষের অনেক নীচে। আমাদের কপাল ছিঁড়ে যায়। সেলোটেপ। ঘেরাটোপ এসব মশারি বিন্যাসে পেরোতে পারে না প্রাচীন। নিজের পায়ের নখ উপড়িয়ে অন্য রান্নাঘরে। ধাতু ভুল তাই কোন সম্প্রসারণ সম্ভব নয়। এগুলো নিপাতনে সিদ্ধ।
২০) অ্যাক্সিডেন্ট এবং তারপর
কাঁদব বলে জন্মিয়ে কেঁদেছিলাম। তারপর নেহাতই আমার স্লো মোশানে কিছু বলতে যাওয়া। ভাঁজ করে রাখা ট্রাফিকে আমি যন্ত্রণায়। সিগ্নালে আমি কালার ব্লাইন্ড তাই সব কিছু গ্রে। এইতো আমরা ব্রেক ফেল করি। যে কটা দিন। ফাটা মাথা আর পাঁজর নিয়ে কোনমতে বেরিয়ে আসি। হাসপাতালের সামনেই পার্ক করে রাখাছিল আমার বাড়ি ফেরার ইচ্ছেগুলো। তারপর সাইকেলে করে সূর্যাস্তের পথে ব্যান্ডেজে আমরা মিলিয়ে যাই। দূর থেকে রুমালে লেগে থাকে লাল। এইতো আমি রঙ!
২১) ফুরিয়ে যেতে যেতে
ভালো লাগে। প্যারাশুট তুমি। ব্যান্ডেজ আমাকে মুক্ত করলে। ছুঁয়ে দিলে মেজর সেভেন্থ। সভ্যতার এই পাহাড়ের এক কোনায় মাঝে মাঝে তব দেখা পাই তোমার উচ্চারণে। নেমে আসো। পারাশুট তুমি। আমার গভীরে। তোমার কন্ঠে নয়ন তোমারে? এই দেখো আমি কেমন ফুরিয়ে যাচ্ছি স্পাইরালি তোমার অতল স্পর্শ করব বলে। সমুখে অনন্ত জীবন বিস্তার। হাত ধরো।
অনুপম রায়