Showing posts with label Jaanra Sleeper Class Paan Ni. Show all posts
Showing posts with label Jaanra Sleeper Class Paan Ni. Show all posts

Tuesday, September 18, 2012

রক্ত বিনোদন


১৮ সেপ্টেম্বর ২০১২ 

১৩) রক্ত বিনোদন

অযোগ্য কত বাড়ির কোটরে
ভাড়াটে রেখেছে বস্তির মত,
সাপ মুঠো চেপে ফনার নাগাল
সামাল ভায়েরা বোনেরা সামাল।
তুলো ভাঙা হলে দরকার যার
কুড়িয়ে নেবে সে নিজের বোতাম,
শিক্ষাহীনতা ছোঁয়াচে অসুখ
ক্ষুধার্ত শ্রেণী নিজেরা বাঁচুক।
মাথা থেকে মাথা রোগ বিনিময়
চিকিৎসা হবে রাজনৈতিক,
বিনোদনে হবে রক্ত বিয়োগ
মূর্খের মত শব্দ প্রয়োগ।

Tuesday, August 21, 2012

ছোট


২১ আগস্ট ২০১২

১২) ছোট 

এত ঘাম এত প্রতিরোধ
কেনা দাম তবু ক্ষতি তার
ছোট ব্যবসায়ী
হাত পাখা নাড়ে
বড় ট্রাক এসে চাপা দেয়।


ছোট খাতা ছোট কবিতা
ছাপে কম কালি লাগে না
দেহে আধখানা
ব্যাগ ঝোলা কাঁধে
মাথা ফাটে খুব ব্যথা হয়।

Sunday, August 05, 2012

বিষধর


১১) বিষধর

যৌবন যাকে
ফেলে রেখে এসে,
গাছের কোটরে দেহ রাখে,
সেই পাখির শব্দে
বিষধর দেহ নড়ে।
ছাড়িয়ে নিয়েছে
পালকের কাছে কাঁচা মাংসের
হদিশ পেয়েছে
বুড়ো দাঁত তবে তীক্ষ্ণ
অতীত ধরে।

বাকি সংলাপ


৫ আগস্ট ২০১২

১০) বাকি সংলাপ

আমাকে দুঃখ দিয়ো
রঙিন সুতোর মতো
জড়িয়ো আঙুলে,
সব উত্তাপ সাদা কালো
হবে কেন?
সহজেই যদি দাঁড়ি কমা সব
তবে সংলাপে
ফাঁক রাখা মানে
বুঝে নাও তুমি বোঝো নি।
কেন ফুল মরে পড়ে থাকে?
তার রঙ নির্ণয়
করতে পারোনি,
সহজেই যদি চিনে ফেলা যেত
তবে কবিতার
কি প্রয়োজন?
সারি সারি স্লেটে
লিখে ফেলা যেত
যে কথা এখনো বলা হয়নি।

Thursday, July 26, 2012

আমার সমস্ত অতীত


২৬ জুলাই ২০১২

৯) আমার সমস্ত অতীত

আমার সমস্ত অতীত -
ধর্ম, রাষ্ট্র ইত্যাদি
উপেক্ষা করলে
নিতান্ত দরিদ্র,
কব্জার ভাঁজে খুলে যায়।

দেখি উড়ো পাখি
বিস্ময়হীন কত
পথচারী ক্লান্ত এভাবে
দাঁড়িয়ে পড়েছে
মৌন তখন খসে পড়ে
চাঁদ কুচি কুচি হয়ে
রাস্তা যেভাবে ভেজেনি।

আমার সমস্ত অতীত -
একটি বাক্যে লিখে ফেলা যেত
যদি তোমায় এড়িয়ে চলতাম।

Tuesday, July 24, 2012

কবিদের লাশ


২৪ জুলাই ২০১২

৮) কবিদের লাশ

এত গালাগালি সমসাময়িক
ব্যক্তি বিশেষে অল্প,
দুধ কেটে ছানা চিৎকার করে
পালিয়ে কেঁদেছে তলপেট।
একই ভাব একই শব্দ প্রয়োগ
তবুও লেখারা ভিন্ন?
জানি স্বপ্নেরা ঘুরপাক খায়
পারোয়া করেনা চিহ্নের।
তাই সব কিছু বাতিল হয়েছে
নিলাম হয়েছে দৃশ্য,
কলাপাতা মোড়া বৈশাখ ভাবে
কবে ঘুম ভাঙে গ্রীষ্মের।
কত দাগ কাটা ক্ষত ঢাকা থাক
ভালোবেসে ফেলা অংশ,
কত লাশ ভাসে মৃত কবিতার
সংবাদ আসে ধ্বংসের।

সামনের দিকে সোজা


২৪ জুলাই ২০১২

৭) সামনের দিকে সোজা

এখনো রোদ আসে দেবদারু বেয়ে
ধরতে পারে নি,
মৃত্যুর মত স্বাভাবিক
কত খোলস জমেছে প্রান্তর।
সেই গোলাকার শৈশব
কবে কাটা গেছে গাছ
নিয়মের কাছে ধরা পড়ে
কিছু থিকথিকে কালো কাঁচা চুল।
হোঁচট খাওয়ার কথা ছিল
যেন দুলতে গিয়েও কাটছে,
যেন জন্মাতে চাই নি
কোন একাধিক সূর্যের
পরস্পর সভ্যতার এই মহাদেশ,
সব কেড়ে নিয়ে,
আয়না দেখিয়ে,
ফিরে যেতে বলা হয়
যেখানে আদৌ কখনো ছিলাম না।

Sunday, July 15, 2012

ট্রাফিক


৬) ট্রাফিক 

কে যেন দ্রুতবেগে,
খবরে সবই গুল,
আসলে নুড়িচাপা
ঘটনা একাধিক।
তবুও বায়বীয়
ক্ষতি কি শহরের?
এহেন ট্রাফিকের
হাসিতে ধরে না।
অথচ গাড়িতে
যে আলো তীব্র,
পেয়াদা ভীত খুব
দারোগা মোছে গোঁফ।
জেব্রা দাগগুলো
শয়নে গোনে পা
পেরোতে লাগে ভয়
সবুজে মরে যাই।

মূল স্রোত


১৫ জুলাই ২০১২

৫) মূল স্রোত
মূল স্রোত যে দালাল
অজস্র কলার।
ঘুড়ি যার গোনে হাত
বিনম্র ডলার।
সে বিপদ ডাকে রাত
অসহ্য আড়াল।
বাঁকা পিঠ যাদুকর
বীভৎস বেড়াল।
এক ঝাঁক ফ্লাইওভার
অসংখ্য আলো।
সুতো ছাড় ও লাটাই
অবাধ্য বালক!
মূল স্রোত কে দালাল?
নেপথ্যে লিখি।
পাপেটের নড়ে কান
কুড়চ্ছে টিকিট।

Saturday, July 14, 2012

খাবার টেবিল


১৪ জুলাই ২০১২

৪) খাবার টেবিল 
শুধু ধোঁয়া আর চকের গুঁড়ো
উড়িয়ে দিচ্ছ তোমায়
ঢাকবে বলে এমন
বুঝি যায় না দেখা
কফিন মোড়া তোমার
হাসি নয়ত কোন
দেবশিশু যেই আকাশ
ভেঙে ফুটল ওরা
কেউ জানে না।
আমি তো ভাই
খেই হারিয়ে
অন্য ঋতুর বন্ধু সেজে
তোমায় ভুলেও
দেখব না আর,
খাদ্য খাদক দস্যিপনা
রাঙতা দেওয়া
থাক না।

Friday, July 06, 2012

যেগুলো মিথ্যে


৭ জুলাই ২০১২

৩) যেগুলো মিথ্যে

যে চিঠি তোমার লেখা
কোনদিন সকালে কাঁদায়
সত্যি তোমায় ভালোবেসে
কিছু চাই নি,
তবু তারিখের কথা
বাজারের পথে হারিয়ে
গিয়েও উড়ে উড়ে আসে,
গায়ে চার ফোঁটা
ভিজিনি তখনও তুমি
তো বলোনি ফিরবে,
তাই রোজ বেলা হলে
বাড়ির বাইরে তালা
মেরে আমি লিখে রাখি
কেউ থাকে না এখানে,
কোনদিন কেউ ছিল না।

তারপর


যাঁরা স্লীপার ক্লাস পান নি

৬ জুলাই ২০১২ 

১) তারপর (১)   
হতে পারে
তুমি অনেক সমুদ্র দূরে
অসহায় খালি প্রেমিক সুবাদে
দুবেলা দুটো শব্দ জোটেনা।
হতে পারে
কত বিরাট শূন্য
গিলে ফেলে কালো গর্ত
নিমেষে, কঙ্কাল কাঁটা
সময় তাগিদে,
হতে পারে
আমি রাজি নই তবে
তোমার কাছেই হারতে পারি,
তোমার জন্য শয্যা
কখনও তোমার কোমর
ভুলতে পারি নি।

২) তারপর (২)
তোমার কখনো মনে হতে
পারে আমার সেভাবে
দুর্বল, তাই, 
সামনে যতটা 
বালি ফেলা আছে,
চটি ভরে কেঁদো স্নেহহীন,
যেন, বাড়ি ফেলে
কত সাঁতারের পর
সকালের চেয়েও একঘেয়ে
ফের চোখ বোঁজো কেন?
এই দেখ আমি নিরাকার।
তুমি সংসারে যদি
আমাকে না পাও,
আমিও পাব না দুঃখ,
আমি তোমার দেওয়ালে পেরেকের
মতো, সুখদুখ এঁকে টাঙিয়ো।